স্মার্টফোন নির্মাতা থেকে বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি (ইভি) ব্যবসায় নাম লেখানো কোম্পানিটির ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) নিট মুনাফা ২৪ শতাংশ কমে ৬৩০ কোটি ইউয়ানে দাঁড়িয়েছে, যা আগের বছর ছিল ৮৩০ কোটি ইউয়ান। তবে এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির আয় ৭ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১১ হাজার ৬৯০ কোটি ইউয়ানে পৌঁছেছে। খবর নিক্কেই এশিয়া।
শাওমির তথ্যানুযায়ী, অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানের আয়ের মূল উৎস স্মার্টফোন ও গৃহস্থালি পণ্য খাতে আয় ১৪ শতাংশ কমে ৭ হাজার ৯৭০ কোটি ইউয়ানে নেমেছে। মেমোরি চিপের সংকট ও অ্যাপলের সাশ্রয়ী আইফোনের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে এ খাতের ওপর চাপ বেড়েছে। অন্যদিকে ইভি ব্যবসা গত বছর দ্রুত বাড়লেও সম্প্রতি নকশা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে হোঁচট খেয়েছে কোম্পানিটি।
প্রতিষ্ঠানটির এসইউ-সেভেন মডেলের গাড়ির দুটি বড় দুর্ঘটনার পর স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভিং ও বৈদ্যুতিক ডোর হ্যান্ডেলের কার্যকারিতা নিয়ে চীনজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির সরকার ইভি খাতের ওপর তদারকি জোরদার করেছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গাড়ি নির্মাতারা যেন বিজ্ঞাপনে ড্রাইভিং সুবিধার বিষয়ে অতিরঞ্জিত কিছু না বলে এবং প্রতিটি গাড়িতে দৃশ্যমান হ্যান্ডেল ও যান্ত্রিকভাবে খোলার ব্যবস্থা নিশ্চিত করে। গত সপ্তাহে এসইউ-সেভেনের দ্বিতীয় প্রজন্মের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাওমির প্রতিষ্ঠাতা লেই জুন গাড়ির নিরাপত্তা উন্নতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। নতুন মডেলে বুলেটপ্রুফ ব্যাটারি কোটিং ও তিনটি ব্যাকআপ ব্যাটারিসহ ডোর হ্যান্ডেল যুক্ত করা হয়েছে।
তিনি জানান, প্রতিটি গাড়ি তৈরিতে খরচ ২০ হাজার ইউয়ান বাড়লেও মুনাফার হার কমিয়ে এর দাম আগের চেয়ে কেবল ৪ হাজার ইউয়ান বাড়িয়ে ২ লাখ ১৯ হাজার ৯০০ ইউয়ান নির্ধারণ করা হয়েছে।